কেস স্টাডিজ

আমার তৃতীয় সন্তান।

ছবি ©: সেভ দি চিলড্রেন

“তৃতীয়বারের মত মা হওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল ভিন্ন। আমার প্রথম দুইটি সন্তান জন্মের সময় নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। তাই তৃতীয়বারও শুরু থেকেই চাচ্ছিলাম নরমাল ডেলিভারি করাতে । ডাক্তারেরাও বলছিলেন নরমাল ডেলিভারি হবে। সব কিছু নরমাল আছে।" বলছিলেন নাইমা আহমেদের । যিনি একজন বিদেশী নাগরিক, যে কাজের সূত্রে বহু বছর ধরে বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।

 "তবে যেহেতু নরমাল ডেলিভারি এর ক্ষেত্রে সময় নির্দিষ্ট করে বলা যায় না, আমার ক্ষেত্রেও তাই হয়েছিলো। খুব ভোরের দিকে আমার পেইন শুরু হয়, আর বাসার কাছেই হাসপাতাল থাকায় খুব দ্রুতই পৌঁছে যাই। এবং খুব ভোরবেলা হওয়াতে আমার ডাক্তার ও উপস্থিত ছিলেন না ওখানে।"

 তবে সেখানে যেয়ে নাইমা যখন নরমাল ডেলিভারি করানোর সিধান্ত জানান, কর্তব্যরত নার্স ও অন্যান্য হাসপাতালের সাহায্যকারীরা আমাকে বারবার সিজারিয়ান অপারেশন করানোর জন্য বলছিলেন। এবং ওখানে এমন অবস্থা ছিলো যে, তাঁরা নরমাল ডেলিভারি রুমের বন্ধ দরজার তালা খোলার চাবিও খুঁজে পাচ্ছিলেন না। একে অন্যকে চাবি খুঁজে বের করতে বলছিলো। রুমের অবস্থাও ছিলো শোচনীয়।

 "আমি মনে মনে ভীষণ ভয় পাচ্ছিলাম যে, আমি কি আমার কারনে আমার বাচ্চাকে কোন আঘাত করতে যাচ্ছি নাকি। তবে আমার প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস ও পারিবারিক সহয়তাই আমাকে সাহস জুগিয়েছে, নরমাল ডেলিভারি করাতে।"

 তিনি আরো বলেন যে, নরমাল ডেলিভারি এর ক্ষেত্রে মা ও সন্তানের মধ্যে যে বন্ধনটি গড়ে ওঠে তা, সিজারিয়ান ডেলিভারি এর ক্ষেত্রে হয় না। মা ও শিশুর জন্মদান পরবর্তী স্বাস্থ্য ও দ্রুত সুস্থ থাকার জন্য তিনি নরমাল ডেলিভারি এর উপর জোর দেন।

 [বি.দ্র: গোপনীয়তার স্বার্থে ব্যক্তির নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়নি ।]

হটলাইন নম্বর
xxxxx