কেস স্টাডিজ

একজন মায়ের দৃঢ়তার গল্প।

ছবি ©: Getty Images;

একটি সিজারিয়ান ডেলিভারি হওয়ার পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে । শিশুর গর্ভাশয়ে ভুল অবস্থান, গর্ভকালীন রক্তক্ষরণ  অথবা প্রসব বেদনা হতে দেরি হওয়া ইত্যাদি – এসব হচ্ছে সিজারিয়ান ডেলিভারি হওয়ার সচরাচর কারণ । 

তবে এর কিছুই হয়নি, সোনিয়া হাসানের ক্ষেত্রে, এমনই বলছিলেন, সোনিয়ার মা, যিনি নিজে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞ ও বর্তমানে স্বাস্থ্যখাতের উন্নতির জন্য কাজ করছেন।

সোনিয়ার যেহেতু এটা প্রথম সন্তান ছিলো, তাই বাসার সবার মধ্যেই ছিলো অন্যরকম আনন্দ। একটি স্বনামধন্য হাসপাতালের একজন নামকরা চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে ছিলেন সোনিয়া। ডেলিভারি  এর দিন সকালে ব্যাথা অনুভব করলে, হাসপাতালে ভর্তি করা হয় সোনিয়াকে। তবে, সন্তান জন্মদানের জন্য পর্যাপ্ত ব্যাথা না থাকায়, আবার বাসায় নিয়ে আসার কথা জানান, সোনিয়ার মা। পরের দিন ভোরে আবার ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। সারাদিন থাকার পরে সন্ধার দিকে ব্যাথা বাড়ায় নেওয়া হয়, ডেলিভারি রুমে।

"আমি মনে মনে প্রস্তুত ছিলাম আমার মেয়ের নরমাল ডেলিভারিই হবে, কারন নিজে ডাক্তার হিসেবে আমি দেখছিলাম সব রিপোর্টই নরমাল আসছে।" তবে ডেলিভারি রুমে নেওয়ার পরে সেই রুমের অবস্থা তাঁকে ভাবিয়ে তুলে। বিভিন্ন জায়গায় ঝুল ঝুলে আছে, লাল হয়ে যাওয়া পর্দা থেকে তিনি অনুমান করেন, যে বহু বছর পরে এই রুমটি খোলা হয়েছে। 

 "ডেলিভারিতে সময় বেশী লাগছে দেখে, কর্তব্যরত চিকিৎসক আমাকে প্রশ্ন করেন যে, সিজার করবেন কিনা। তবে আমি দেখছিলাম যে সবই নরমাল আছে, তবুও আমি বলি যে আপনে যা সিদ্ধান্ত নেন সেটাই হবে। এর মধ্যেই দেখি, অপারেশন থিয়েটরে সিজার অপারেশন হয়ে গেছে প্রায় ছয়-সাতটা। তবে আমি আমার মেয়ে ও পরিবারের সবাইকে ধৈর্য ধরতে বলি। এবং অবশেষে আমার মেয়ের নরমাল ডেলিভারিই হয়।" 

 বর্তমানে মা ও শিশু দুজনই সুস্থ অবস্থায় আছেন।

[বি.দ্রঃ গোপনীয়তার স্বার্থে ব্যক্তির আসল নাম ও ছবি প্রকাশ করা হয়নি।]

হটলাইন নম্বর
xxxxx